রবীন্দ্রনাথ-ঠাকুর
তিনি প্রথম এশীয় হিসেবে 1913 সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন।
নোবেল পুরস্কার
সাহিত্যে ১৯১৩ সালে
গীতাঞ্জলি
সাংগীতিক কাব্যগ্রন্থ
শান্তিনিকেতন
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন
বঙ্গভঙ্গ
রাজনৈতিক আন্দোলন লেখনী
জীবনী
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৮৬১-১৯৪১) ছিলেন বাংলা সাহিত্যের এক অনন্য প্রতিভা। তিনি কবি, ঔপন্যাসিক, সংগীতস্রষ্টা, নাট্যকার, চিত্রকর, গল্পকার, প্রাবন্ধিক এবং দার্শনিক হিসেবে পরিচিত। গুরুদেব নামেও তিনি সমধিক পরিচিত। তাঁর সাহিত্যকর্মে মানবিক অনুভূতি ও আধ্যাত্মিকতার গভীরতা রয়েছে।
গীতাঞ্জলি, মানসী, সোনার তরী, চিত্রা, বলাকা তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনা। এই রচনাগুলোতে প্রকৃতি, মানবতা, প্রেম ও আধ্যাত্মিকতার চিত্রায়ণ অত্যন্ত সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। রবীন্দ্রনাথের লেখায় বাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের প্রতিফলন ঘটে।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন, যা তাঁকে প্রথম বাঙালি হিসেবে এই সম্মানে ভূষিত করে। তাঁর গানগুলো আজও বাংলা সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ, যা প্রজন্মের পর প্রজন্মে মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছে। তাঁর সৃষ্টির মাধ্যমে বাংলা সাহিত্য বিশ্বমঞ্চে উজ্জ্বল হয়েছে।
জীবন পঞ্জিকা
জন্ম, কলকাতা
ইংল্যান্ডে যান
নোবেল পুরস্কার পান
নাইটহুড উপাধি পান
ভারতে ফিরে আসেন
গবেষণা ও সাহিত্য কার্য শুরু
‘গীতাঞ্জলি’ প্রকাশিত
মৃত্যু, কলকাতা
উল্লেখযোগ্য রচনা
পুরস্কার ও সম্মাননা
বাংলা একাডেমী পুরস্কার
একুশে পদক